Celebrities

জল অপচয় রুখতে মানুষকে শিক্ষা দিল বাঁদর, দেখুন ভিডিও
Malabika Mondal

Comments

No comments yet

পশ্চিমবঙ্গ 24×7 ডিজিটাল ডেস্ক: জল সমস্যার মুখে
গোটা দেশ। সামান্য জলের জন্য হাহাকার
পড়ে গিয়েছে মুম্বাইতে। শুধু মুম্বাই নয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পানীয় জলের সমস্যা
গুরুতর হয়ে উঠেছে। ভূবিজ্ঞানীরা মতে, ভূগর্ভস্থ জলস্তর কমে আসাতেই এই বিপত্তি। আর ক্রমশই সেই জলস্তর আরও কমে আসবে। তবুও বিজ্ঞানীদের সাবধানবানীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জলের
অপচয় বাড়ছে রমরমিয়ে। জলের কল খুলে বন্ধ নয়। বরং জল নেওয়ার হয়ে যাওর পর রাস্তার ধারের টাইম কলগুলিকে খুলে রেখেই যে যার
মতো বাড়ি চলে যান। অথচ প্রতিদিনই সংবাদের পাতায় কিংবা টিভির পর্দায় জল অপচয় বন্ধ করার জন্য
বিজ্ঞাপন ও সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে। কিন্তু সচেতন হচ্ছে না মানুষগুলোই।

জল নিয়ে এত সমস্যার মধ্যে মানুষ
সচেতন না হলেও এক বাঁদর শিখিয়ে দিল সচেতনতা কাকে বলে। তাইতো বার বার সাবধান বা সতর্ক বার্তা ব্যর্থ হল না। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডি বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে কল খুলে জল খেয়ে সেই কলের মুখ বন্ধ
না করে চলে যান এককটি বাঁদর কিন্তু সেই কাজ করেনি। মানুষের বুদ্ধির ধারে কাছে না ঘেঁষলেও রাস্তার ধারের কল
থেকে জলে খেয়ে কলের মুখ বন্ধ করতে ভোলেনি সে। হ্যাঁ ভাবতে অবাক তো লাগবেই। কিন্তু এমনই এক বাঁদরের কাণ্ডে আপ্লুত শিক্ষিত সমাজ। বাঁদরের কাছ থেকেও যে শিক্ষনীয় কিছু থাকতে পারে তারও
প্রমান বটে।

সম্প্রতি সেই ভিডিওটি শেয়ার
করেছেন নির্বাচন কমিশনার প্রধান এস ওয়াই কুরেশি। ক্যাপশনে লিখেছেন মানুষের জন্য একটি সুন্দর বার্তা। যেটি ট্যুইটারে হাজার বার রিট্যুইটের পাশাপাশি ত্রিশ হাজার
লাইক হয়েছে। তবে বাঁদর যদিও না বুঝেই
করেছে কিন্তু বাঁদরের এমন কাণ্ড দেখে তাক লেগেছে নেটিজনেদের। তাইতো অনেকেই বলছেন এই বাঁদরটির থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

আসলে বাঁদর বা হনুমানরা
মানুষের আদব কায়দা নকল করতে একেবারে প্রস্তুত। নিজের হাতে খাওয়া, নিজের সন্তানদের কোলে নিয়ে ঘোরা এগুলি
বাঁদরদের সহজাত প্রবৃত্তি। এগুলির সঙ্গে আমরা বেশ পরিচিত। কিন্তু জল অপচয়ের শিক্ষা যে এভাবে দিতে পারে তা হয়তো ধারনার বাইরেই ছিল।

আগামী দদিনে সারা পৃথিবীতে
জল সংকট নেমে আসবে এমনটাই ভবিষ্যতবানী করছেন বিজ্ঞানীরা। তাই জলকে অপচয় নয় বরং
সংরক্ষণ করার পরামর্স দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। অনেক জায়গাতেই বৃষ্টির জল পুকুরে ধরে রেখে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ রাস্তার কলগুলিতে জলের কু খুলে জল নষ্ট
হচ্ছে অথচ তাতে থোরাই কেয়ার করে পথ চলতি মানুষ।সেখানে দাঁড়িয়ে বাঁদরের এই কর্মকাণ্ডআমাদের শিক্ষিত হওয়ার
পাথেয়। 

শসার তেতো ভাব দূর করবেন কীভাবে? জানুন!
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিনের ডায়েটে যদি শসাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তাহলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। কারণ শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে শসার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো স্যালাড হোক কী ঝাল মশলা দেওয়া রাজকীয় পাখোয়ান, সবার সঙ্গেই শসাকে সঙ্গী করা হয়ে থাকে। আর কেন পাঠানো হবে নাই বা বলুন! নিয়মিত এই ফলটি খেলে যে মেলে অনেক উপকার মেলে! যেমন, শসাতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন এ, সি, ই, কে, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংকসহ অনেক পুষ্টি উপাদান। এসব উপাদান শরীরকে নানা রোগ থেকে দূরে রাখে।

Image Source - https://www.prothomalo.com

তবে শসা খাওয়ার সময় একটি অসুবিধায় পড়তে হয়, তা হল শসার তেতোভাব। যা সত্যি বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।  এবার অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে। শসার স্বাদ তেতো হয় কেন? উত্তর সহজ। শসায় থাকে একটি জৈব যৌগ, নাম কিউকারবিটাসিন। এই কিউকারবিটাসিন-এর জন্যই শসার স্বাদ তেতো হয়। এই তেতো ভাবটা কি কোনো উপায়ে দূর করা সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব। সব শসাই তেতো হতে পারে। আবার সব শসারই তেতো স্বাদ বদলে ফেলা যায়।

Image Source - https://banglalive.com

সাধারণত শসা ভাল করে
ধুয়ে তার পরে গোড়া থেকে একটু কেটে ঘষে নেওয়া হয়। এর নেপথ্যে একটি
গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।এর ফলে শসার তিতকুটে ভাবটা চলে যায়। আর এই তেতো ভাব দূর
করতেই শসা কেটে ঘষে নিতে হয়। শসা কেটে ঘষতে থাকলে দেখা যায়, সাদা
ফেনা গোত্রের একটি বস্তু ক্রমশ জমছে। এটিই কিউকারবিটাসিন। ঘর্ষণের ফলে যা শসার
ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে ক্রমাগত। ফলে যতক্ষণ এই সাদা ফেনাটি বেরোচ্ছে, ততক্ষণ ঘষতে থাকা উচিত। ফেনা বেরোনো বন্ধ হয়ে গেলে বুঝবেন, শসা আর তেতো নেই।

এই সব কারণে দূষিত হয় রক্ত, রক্ত পরিষ্কার করুন এই উপায় মেনে
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

আমাদের শরীরের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি যদি ঠিক না থাকে, তাহলে শরীর ঠিক থাকবে কী করে বলুন! তাই তো রক্তকে সব সময় পরিষ্কার রাখাটা আমাদের প্রথম কর্তব্য। রক্ত যে আর শুদ্ধ নেই, তা অনেক ভাবে বোঝা সম্ভব, যেমন আপনার কি খুব ব্রণ হয়? এও কিন্তু রক্ত দূষিত হয়ে যাওয়ার একটা লক্ষণ। এছাড়া সোরিয়াসিস নামে এক ধরনের ত্বকের রোগও কিন্তু রক্ত ময়লা হয়ে গলেই হয়ে থাকে। এখানেই শেষ নয়, রক্ত যেহেতু শরীরের প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি অংশে পৌঁছে যায়, তাই রক্ত যদি ঠিক না তাকে তাহলে কিন্তু একে একে শরীরের বাকি অংশেও এর প্রভাব পরতে শুরু করে। তাই সাবধান! এ বার রক্ত দূষণের প্রধান কারণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

Image Source - https://zeenews.india.com

অস্বাস্থ্যকর আহার-  অস্বাস্থ্যকর
খাবার খাওয়ার ফলে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ফ্যাট এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ রক্তস্রোতের সঙ্গে মিশে
গিয়ে ধীরে ধীরে ধমনীর গায়ে জমা হতে থাকে। আবার রক্তস্রোতে উপস্থিত অতিরিক্ত
ফ্যাটে রক্ত কণিকা ও প্লেটলেটগুলি জমাট বেঁধে যায়। ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে
তার অক্সিজেন পরিবহনের ক্ষমতা কমে যায়।

ধূমপান-  ধূমপানের ফলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস রক্তে মিশে রক্তের অক্সিজেনের ভারসাম্য নষ্ট করে। তাছাড়া, ধূমপানে নষ্ট হয় ভিটামিন সি, রক্ত চলাচলে যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এ ছাড়া নিকোটিনের প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ধমনীগুলি সংকুচিত হয়ে পড়ে।

Image Source - https://www.priyo.com

মদ্যপান- মদ্যপানের ফলেও রক্তকণিকাগুলো জমাট বেঁধে যায়, রক্তে ফ্যাটের মাত্রা বেড়ে যায়, নষ্ট হয় বহু প্রয়োজনীয়
পরিপোষক। সেই সঙ্গে কয়েকটি এনজাইম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার ফলে শরীরে অক্সিজেন
সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।

তবে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিত্সা রয়েছে, যা মেনে চললে রক্ত ময়লা হয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না। আর একবার রক্ত বিশুদ্ধ হয়ে গেলে দেখবেন ত্বকের রোগ তো দূরে থাকবেই, সেই সঙ্গে শরীরও একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

Image Source - https://food.ndtv.com

লেবু- শরীরে ক্ষতিকারক টক্সিন জমে থাকার ফলে রক্ত দূষিত হয়ে যায়। আর এই টক্সিন দূর করতে লেবু দারুণ সাহায্য করে। শরীরে ক্ষতিকর টক্সিনের মাত্রা যত বৃদ্ধি পাবে, তত রক্ত ময়লা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। লেবু নানাভাবে শরীর থেকে এইসব বিষগুলিকে বের করে দেয়। ফলে রক্ত খারাপ হয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না। শরীরে টক্সিনের মাত্রা যত কমবে, তত রক্ত বিশুদ্ধ থাকবে।

Image Source - https://www.onegoodthingbyjillee.com

আদা-  এতে কার্কিউমিন নামে এক ধরনের
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রচুর মাত্রায় রয়েছে, যা রক্তকে শুদ্ধ করার পাশাপাশি একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

গাজর-  রক্ত ময়লা হয়ে যাওয়ার কারণে সরিয়াসিস সহ যেসব ত্বকের রোগ হয়, সেগুলির প্রকোপ কমাতে গাজরের কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। গাজরে রয়েছে বিপুল পরিমাণে ভিটামিন- এ, বি, সি এবং কে এবং পটাশিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে দারুন কাজে আসে। তাই যখনই বুঝবেন রক্ত ময়লা হতে শুরু করেছে, গাজর খাওয়া শুরু করবেন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন।

Image Source - https://www.splendidtable.org

বিট- এটি প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা রক্তাল্পতা সমস্যা ঠিক
করার পাশাপাশি, রক্তকে পরিষ্কার রাখতেও
বেশ সাহায্য করে। শরীরকে রোগ জীবাণু থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

ব্রকলি- এতে প্রচুর মাত্রায় ডিটক্স এজেন্ট বা ময়লা বের করে দেওয়ার উপাদান রয়েছে। তাই তো প্রতিদিন এই সবজিটি খেলে রক্ত ময়লা হয়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। প্রসঙ্গত, রক্তের কোণায় কোণায় লুকিয়ে থাকা ময়লাকে টেনে বার করতে ব্রকলি দারুন কার্যকরী।

Image Source - https://food.ndtv.com

রসুন- রক্ত পরিষ্কার রাখতে প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খান। কারণ রসুনে থাকে
অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান যা রক্ত থেকে ক্ষতিকর ভাইরাস দূর করতে সাহায্য করে।
রক্তকে পরিষ্কার রাখে।

হলুদ- হলুদকে বলা হয় লিভারের ওষুধ। কিন্তু শুধু লিভার নয়, রক্তকে পরিষ্কার রাখতেও
এর ভূমিকা অতুলনীয়। হলুদ অ্যান্টিসেপটিক হিসাবে কাজ করে। এর কারকিউমিন নামক উপাদান
লিভারকে সুস্থ রাখার একটি অন্যতম উপাদান। রক্তকেও পরিষ্কার রাখে।

করলা-  বাড়ির বড়রা নিশ্চয়ই বলে বেশি করে
তেঁতো খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। এটা কিন্তু সত্যি রক্তকে পরিষ্কার রাখার জন্য করলার
থেকে উপকারী উপাদান আর কিছু হয় না। করলায় আছে ডিটক্সিফাইং উপাদান। যা রক্তকে
ডিটক্সিফাই করে। রক্ত থেকে টক্সিন ও অন্যান্য ক্ষতিকারক উপাদান বার করে। এর জন্য
সপ্তাহে তিনদিন করলা সেদ্ধ খান। শরীর সুস্থ থাকবে।

ভারতে ডিভোর্সের হার সবচেয়ে কম, কারণ সুখী দাম্পত্য জীবন নয়,তাহলে?
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

সাত জন্মের বন্ধন হল বিয়ে। আর তাই সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করে। অনেকের সেই চেষ্টা সফল হয়ে যায়। আবার অনেকেরই নানা কারণে বিয়ের বাঁধন ছিঁড়ে যায়। এক সমীক্ষা বলছে অন্যান্য দেশের থেকে ভারতের ডিভোর্সের হার সবচেয়ে কম। সমীক্ষার মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ভারতে ১ হাজারটি বিয়ের মধ্যে মাত্র ১৩টি বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে। সুখী দাম্পত্যের জন্য এই ফলাফল,তা মোটেও নয়। দাম্পত্য জীবন যেমনই হোক, বিয়ে টিকিয়ে রাখাই এখানে বীরত্ব। তবে বিয়ে টিকে যাওয়ার পিছনে যে সব সময়ে অগাধ প্রেম থাকে, বিষয়টা ঠিক তেমন নয়। সমীক্ষা বলছে, অনেক সময়ে কয়েকটি নেতিবাচক কারণেও বিয়ে টিকে যায়। বরং বিয়ে টিকিয়ে রাখাই বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে।

Image Source - https://www.indiafilings.com

উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা, রাজস্থানে ডিভোর্সের হার
সবচেয়ে কম। কারণ এসব রাজ্যে পুরুষতন্ত্রের আধিপত্য। হাজার অত্যাচারেও মহিলারা
নীরবে সহ্য করে যাচ্ছেন। অত্যাচার সহ্য করে বিয়ে টিকিয়ে রাখাতেই কৃতিত্ব।

ডিভোর্স আইনের ক্ষেত্রে ভারত অত্যন্ত প্রগতিশীল দেশ। স্বাধীনতার ঠিক পরেই এই বিল মহিলা, পুরুষ উভয়ের জন্য পাশ হলেও পুরো পদ্ধতিই খুব সময়সাপেক্ষ এবং খরচসাপেক্ষও। যা এড়াতে অনেকে ডিভোর্সে যান না। আবার ডিভোর্স আইনে আদালতের দোরগোড়ায় আবেদন নিয়ে গেলেও ফিরে আসেন অনেকেই। আদালতের বিচারকরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের কথা মাথায় রেখে সম্পর্ক আবার ঠিক করে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

Image Source - http://time.com

ধর্ম অবশ্য আরও একটা কারণ। ভারতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদেরই সংখ্যা বেশি। হিন্দুধর্মে বিয়ে অন্যতম পবিত্র রীতি। তাই বিয়ে ভাঙা এদেশে বেশির ভাগ মানুষের কাছে ধর্মের অবমাননার সমান।

Image Source - https://www.ndtv.com

আবার উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ডিভোর্সের হার তুলনামূলক বেশি। এসব
এলাকার মহিলা আর্থিক দিক থেকে বেশি স্বাবলম্বী। তারা যে কোনও অনাচারের বিরুদ্ধে
সরব হন। প্রয়োজনে ডিভোর্সের আবেদনও করেন। এখানে প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ মেনে
নিলেও, ডিভোর্স নিয়ে সাবলীল নয়
সিংহভাগ মানুষ। শুধু মহিলারা নয়, প্রয়োজনে পুরুষরাও দাম্পত্য জীবন খারাপ হলেও বিয়ে টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়।
সাধারণত সামাজিক দায়ের কথা মাথায় রেখেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায় অধিকাংশ
মানুষ।

কোন রোগের চিকিত্সা করাতে কোন হাসপাতালে যাবেন
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

আমাদের রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে আধুনিক যন্ত্র-সহ উন্নত পরিকাঠামো রয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালও রয়েছে যথেষ্ট। তারপরও কোনও জটিল রোগ হলে সেই রোগের চিকিত্সার জন্য অধিকাংশ মানুষই ভরসা করেন দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালগুলির ওপর। কারণ, সেখানকার হাসপাতালগুলিতে অনেক কিছু সুবিধা আছে। নতুন রোগীর রেজিস্ট্রেশনের জন্য যেমন ওয়েবসাইট রয়েছে, তেমনই রোগীর যাবতীয় চিকিত্সা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জমা দিলে, কবে কোন ডাক্তারকে দেখানো যাবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও পাওয়া যায়। চিকিত্সা চলাকালীন ভিন্ রাজ্যের রোগী ও পরিজনেদের থাকা-খাওয়ার সন্ধান দিতে দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি হাসপাতালে আলাদা বিভাগও রয়েছে।

Image Source - https://gomerblog.com

এবার দেখে নিন কোন রোগ হলে আপনি রোগীকে দক্ষিণ ভারতের কোন হাসপাতালগুলিকে নিয়ে যেতে পারেন-

ক্যান্সারের চিকিত্সার জন্য মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারে যেতে পারেন। অধিকাংশ মানুষ যানও সেখানে। অনলাইনেই রোগীর রেজিস্ট্রেশন করানোর সুবিধা রয়েছে। ওয়েবসাইটটি হল – http://tmc.gov.in/m_registration/NewRegistration/newregappln। নিখরচায় চিকিত্সার জন্য বিশেষ ফর্ম পূরণ করার পরেই হাসপাতালের তরফে দিন নির্ধারণ করে জানানো হয়। ক্যান্সারের মতো সময় সাপেক্ষ চিকিত্সায় রোগীর পরিজনেদেরও ভিন্ রাজ্যে গিয়ে থাকতে হয়। তাই এই হাসপাতালেই রয়েছে মেডিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার বিভাগ। সেখানে যোগাযোগ করলে, থাকা-খাওয়ার আনুমানিক হিসাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, কোথায় থাকা যাবে, সে সম্পর্কে ধারণাও দেওয়া হয়। মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের যোগাযোগ নম্বর 24177000,24146750

Image Source - https://ichorepaka.in

ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজে হল গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি কিংবা হৃদ্‌রোগের চিকিত্সার জন্য বিখ্যাত। বিনামূল্যে চিকিত্সার জন্য সেখানে ফোনে যোগাযোগ করা যায়। ফোন নম্বর হল -0416-2281000। তা ছাড়া হাসপাতালের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। ওয়েবসাইটটি হল – http://clin.cmcvellore.ac.in/webapt/Repeat/Login.aspx। অনলাইনে রোগীর যাবতীয় চিকিত্সার সংক্রান্ত নথি জমা দিলেই হাসপাতালের তরফে পরবর্তী পদক্ষেপ জানানো হবে।

Image Source - https://www.valothakun.net

পেটের চিকিত্সার জন্য আরও একটি ভালো হাসপাতাল হল
অন্ধ্রপ্রদেশের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজি-তে বহু রোগী যান।
যোগাযোগ নম্বর- 04023378888। ওয়েবসাইটটি হল –
http://aigindia.net/patientsadmission.html।

চোখের চিকিত্সার জন্যও এ রাজ্য থেকে অসংখ্য রোগী তামিলনাড়ুর শঙ্কর নেত্রালয়ে যান। এখানকার যোগাযোগ নম্বর 914442271500 অথবা 914428271616। ওয়েবসাইটটি হল – http://www.sankarnethralaya.org/appoinment-submit.html

Image Source - https://adarbepari.com

স্নায়ু রোগের চিকিত্সায় কর্নাটকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট
অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্স খুব জনপ্রিয়। স্নায়ু রোগের চিকিত্সা করতে বাংলা থেকে বহু মানুষ ওই হাসপাতালে যান। হাসপাতালের নিজস্ব ওয়েবসাইট
রয়েছে। ওয়েবসাইটটি হল –
http://www.nimhans.ac.in/online- appoinments opd।  অনলাইনের মাধ্যমে জরুরি চিকিত্সার ব্যবস্থা কিংবা ডাক্তারের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। যোগাযোগ নম্বর- 08026995530

আপনি কি অনিদ্রার সমস্যায় ভুগছেন? ঘরে এই গাছগুলি রেখে দেখুন- উপকার পাবেন
Malabika Mondal

Comments

No comments yet

রাতে ঠিকঠাক ঘুম না হলে
সারাদিনের কাজে যেন তালা লেগে যায়। আর অফিসে বসে বসে ধ্যাঁতানি
শুনতে বড্ড বিরক্তি লাগে। অনিদ্রা সমস্ত প্রিয় জিনিসগুলিকেও কেড়ে নেয়। আর রাতের বিছানা বড্ড
অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। সারাদিন ক্লান্তি, বমি ভাব এছাড়াও নানারকম আনুসঙ্গিক সমস্যা
দেখা দেয় রাতের ঠিকঠাক ঘুম না হওয়ার জন্য। এরফলে বাড়ে মানসিক চাপ। তবে আর চিন্তা নেই রাতের সঠিক
ঘুমের জন্য লাগবেনা কোনো ঘুমের ওষুধ।  ঘরোয়া টোটকাতেই দূর হবে অনিদ্রা।
তারজন্য ঘরের মধ্যে রাখতে হবে এই কয়েকটি গাছ।

. অ্যালোভেরা গাছ- অ্যালোভেরার ওষধি গুণ সকলেরই জানা। রূপচর্চা থেকে পেটের সমস্যা নিরাময়ে অ্যালোভেরার অনেক গুণাগুণ রয়েছে। তবে অনিদ্রা কাটাতেও অ্যালোভেরার বিশেষ ব্যবহার রয়েছে। ঘরের মধ্যে অ্যালোভেরা গাছ থাকলে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসে। কারণ, অ্যালোভেরা গাছ থেকে খুব বেশি পরিমানে অক্সিজেন নির্গত হয়, ফলে অনিদ্রার সমস্যা এক নিমেষে দূর হয়ে যায়।

Image Source- https://bestplants.com

. পাতাবাহার গাছ- ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য অনেকেই এই গাছ বাড়িতে রাখেন। অনেকে আবার ভয় পেয়ে রাখেন না। তবে ঘরের বিছানার পাশে পাতা বাহার গাছ থাকলে চোখের ব্যাথা, মাথা ধরা, অনিদ্রার সমস্যা কমায়।

Image Source- https://en.wikipedia.org

. জুঁই ফুল- গন্ধের দিক থেকে জুঁই ফুলের বাহার জুড়ি মেলা ভার। সাজগোজে ব্যবহারের পাশাপাশি অনিদ্রার সমস্যা কাটাতেও জুঁই ফুল বিশেষ ভাবে সহায়ক। তাই ঘরে শোবার বিছানার পাশে জুঁই ফুলের গাছে রাখাই যায়।

Image Source- http://www.bdheadline.com

. ল্যাভেন্ডার- ল্যাভেন্ডারের এমনিতেই অনেক ওষধি গুণ আছে। গাছ দুর্মূল্য হলেও সুগন্ধি পাওয়াই যায়। তাই সুগন্ধি ছড়িয়ে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। কয়েক মিনিটের মধ্যে গভীর তন্দ্রা আসবে।

Image Source- https://diygarden.co.uk/

জইশ জঙ্গী নিধন অভিযানে ভারতের কত টাকা খরচ হয়েছে জেনে নিন
Malabika Mondal

Comments

No comments yet

মাত্র একুশ মিনিটে একুশ কা দম দেখিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার বারোটি মিরাজ বিমান। ভারতীয় বায়ুসেনাদের এই
অসামান্য দক্ষতা তাক লাগিয়েছে গোটা দেশকে। তবে, মাত্র একুশ মিনিটে প্রায় চারশো জইশ জঙ্গী নিধনের জন্য
ভারত খরচ করেছে কয়েক কোটি টাকা। পাকিস্থানের বালাকোটে মাসুদ আজাহার পরিচালিত জঙ্গী
প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, কন্ট্রোল রুম, লঞ্চিংপ্যাড ইত্যাদি ধ্বংস করতে মিরাজ 2000
বিমান হাজার কেজি বিস্ফোরক বর্ষণ করেছে। যার খরচ ভারতীয় মুদ্রায় 1.7 কোটি টাকা। অর্থাত্ এক একটি বোমার দাম
প্রায় ছাপ্পান্ন লক্ষ টাকা। আর বারোটি মিরাজ বিমান প্রত্যাঘাত করতে দেশের মোট 2568
কোটি টাকার সম্পত্তি কাজে লাগিয়েছে ভারত। পাশাপাশি, গোটা বিষয় নজরদারি চালানোর জন্য যে এয়ারবোর্ণ
ওয়ার্ণিং এন্ডকন্ট্রোল সিস্টেম কাজে লাগানো হয়েছিল তার দাম 1750 কোটি টাকা। ড্রোনের দাম আশি কোটি টাকা
ও রিফিলিং ট্যাঙ্কারের দাম বাইশ কোটি টাকা। তাহলে দেখা যাচ্ছে সব মিলিয়ে খবর হয়েছে 6300 কোটি টাকা।

Image Source- https://www.businesstoday.in

তবে, বালাকোটে জইশ জঙ্গী নিধনে এত বেশি পরিমান টাকা খরচ করার সত্ত্বেও কিন্তু অভিযান সফল হওয়া কতটা নিশ্চিত ছিল তা বায়ুসেনাদের কাছে অজানা ছিল। প্রসঙ্গত, 26শে ফেব্রুয়ারী সকালে তন্দ্রাচ্ছন্ন পাকিস্থানে ভারতের বারোটি মিরাজ বিমান বোমা বিস্ফোরণ করে প্রায় চারশো জইশ জঙ্গী সহ মাসুদ আজাহারের ভাই, দাদা ও শ্যালক সহ পঁচিশ জন হাই কম্যান্ডারকে এনকাউন্টার করেছে।

Image Source- http://www.theindependentbd.com

মিরাজের বিশেষ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্থানের রাডার ব্লক করে এই বিশেষ অভিযানে জয় পেয়েছে ভারতীয় বায়ু সেনা। পুলওয়ামা জঙ্গী হানার পর দেশের চল্লিশ জন সেনা জওয়ান নিহত হওয়ায় দেশের অপূরণীয় ক্ষতির বদলা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল ভারতীয় বায়ুসেনার দল। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে ভারতীয় বায়ুসেনা হামলায় পাকিস্থানের কুখ্যাত জঙ্গী সংগঠন জইশ ই মহম্মদের নিকেশ কিছুটা হলেও সম্ভব হয়েছে, যা দেশের কাছে এক ঐতিহাসিক সাফল্য।

ট্যাবলেট ভেঙে খেলে কি হয় জানেন ?
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

অনেক সময় দেখা যায় ওষুধের ডোজ বুঝে চিকিত্সকরা ট্যাবলেট অর্ধেক, এক-চতুর্থাংশ করে খাওয়ার পরামর্শ দেন।  ট্যাবলেট ভেঙে খাওয়ার আরেকটি কারণ হল কমমাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রার ট্যাবলেটগুলো তুলনামূলক সাশ্রয়ী। অর্থাত্ ৫০ মিলিগ্রামের কোনও ট্যাবলেটের ১০টির স্ট্রিপের দাম যদি ১০০ টাকা হয়, সেই একই ট্যাবলেটের ১০০ মিলিগ্রাম মাত্রার ১০টির স্ট্রিপের দাম হয় তো দেখা যায় ১৫০ টাকা একই ওষুধের বেশি ডোজের দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেক রোগী বা রোগীর অভিভাবক নিজে থেকেই বেশি মাত্রার ওষুধ কিনে তা ভাগ করে খেয়ে অর্থ সাশ্রয়ের চেষ্ট করে থাকেন। তাতেই বিপদ বলছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি,ট্যাবলেট দু ভাগ বা তার বেশি ভাগ করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দেখা দিতে পারে।

Image Source - https://www.addiction-ssa.org

চিকিত্সকের পরামর্শ মতে বা অর্থ সাশ্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনও ট্যাবলেট ভাগ করে খাচ্ছেন, সেই ডোজটিই আপনার জন্য বাড়তি বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে সাবধান করে দিয়েছেন বেলজিয়ামের গোঁত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল সাইন্টিস্ট শার্লো ভেরু ও তাঁর সহকর্মী গবেষকরা। যেগুলোর উপাদানে বিষের ব্যবহার হয় প্রতিষেধক হিসেবে, সেইসব ট্যাবলেট গ্রহণের ক্ষেত্রে এই সমস্যা মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

Image Source - http://www.liveyourlifemore.com

ট্যবলেট ভেঙে খাওয়া কেন উচিত্ নয়-

ট্যাবলেটের টুকরাগুলো প্রায় ক্ষেত্রেই পরস্পর সমান ভাগে ভাগ হয় না বা আপনার ইচ্ছানুযায়ী সাইজে বিভক্ত হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে,  উন্নত বিশ্বে প্রচলিত ট্যাবলেট কাঁচি, রান্নঘরের সবজি কাটার ছুরি দিয়ে ভাগ করা হয়। ফলে ট্যাবলেটের শতকরা ৩১ ভাগই সঠিক মাপে বিভক্ত হয় না। দেখা গেছে, ভাঙা ট্যাবলেট খণ্ডগুলোর ওজন একটার থেকে অন্যটা কমপক্ষে ১৫% কম বা ২৫%এরও বেশি হয়ে থাকে।

Image Source - https://madamasr.com

ট্যাবলেট ভাঙাবিষয়ে গবেষণাটি চালানো হয়েছে যেসব রোগের ওষুধের ক্ষেত্রে তার মধ্যে অন্যতম হলো - পারকিনসন্স, রক্তচাপজনিত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া, রক্তনালি বা হৃদপিণ্ডে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া এবং গ্রন্থিবাত ও গাঁটেবাত।বিশেষজ্ঞরা ট্যাবলেট ভেঙে খাওয়ার ফলে রোগীদের বিপদে পড়া থেকে বাঁচাতে ওষুধ কোম্পানিগুলোকে প্রতিটি ট্যাবলেট একাধিক মাত্রায় বাজারে ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে করে রোগী এবং চিকিত্সকদের যার যার পছন্দমতো মাত্রায় ওষুধ প্রেসক্রাইব করা এবং খাওয়ায় আর কোনও ঝামেলা থাকবে না।

চিনির এই গুণগুলো কি জানেন ? জানতে হলে পড়ুন প্রতিবেদনটি
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ একেবারেই চিনির ধার দিয়ে যান না। আর যাঁদের সুগার আছে তাঁরাতো একেবারেই চিনি একেবারেই মানা। তবে শরীরে শর্করার চাহিদা মেটানোর উপকরণ হিসেবেও চিনি বেশ পরিচিত। খাবার প্রস্তুত ছাড়াও চিনির রয়েছে উপকারী বহু গুণ। ব্যবহার জানা থাকলে নিজেই পেতে পারেন এসব উপকার। জেনে নিন, চিনির অসাধারণ উপকার সম্পর্কে।

Image Source - http://slcgdxb.com

ব্যথা কমায় - চিনি ব্যথা কমাতে সাহায্য করে৷ বাচ্চাকে টিকা দেওয়ার আগে
চিনির জল খাওয়ান৷ যন্ত্রণা কম হবে৷

শক্তি আসে - যখন শরীরে চিনির ঘাটতি হয়, তখন শক্তি কমে যায়। আর চিনি খেলে শরীর তাত্ক্ষণিক শক্তি পায়।

Image Source - https://mom.girlstalkinsmack.com

নিম্ন রক্তচাপকে স্বাভাবিক করে - চিনি নিম্ন রক্তচাপকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে। নিম্ন রক্তচাপ হলে চিনির শরবত বা চিনি খাওয়া যেতে পারে। যারা লো ব্লাড প্রেসারে ভোগেন তাদের সবসময় সঙ্গে চিনি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

জিভ পোড়ায় সহায়ক - খুব গরম চায়ে চুমুক দিয়ে জিভ পুড়ে গেলে কিংবা হঠাত্ করে জিভে কামড় পড়ে গেলে চিনি লাগিয়ে নিন৷

Image Source - https://www.patrika.com

ক্ষত সারায়- কোথাও কেটে গেলে রক্ত বন্ধ করতে ক্ষতের ওপর চিনি ছড়িয়ে
দিন। রক্ত বন্ধ হবে। ক্ষত সারবেও তাড়াতাড়ি।

ত্বক ভালো রাখে- চিনির মধ্যে রয়েছে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড, যা ত্বকের টোনকে ঠিক রাখে। ত্বকের তৈলাক্ততার ভারসাম্য রক্ষা করে, দাগ দূর করতে সাহায্য করে। 

Image Source - https://www.canstockphoto.com

লিপস্টিক দীর্ঘস্থায়ী হয় - সকালে লাগানো লিপস্টিক সারাদিন ধরে রাখতে লিপস্টিক লাগানোর পর কয়েক দানা চিনি লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। পরে তা ধুয়ে আবার লিপস্টিক লাগান৷ এতে লিপস্টিক অনেক বেশি সময় থাকবে ঠোঁটে।

Image Source - https://www.pinterest.com

তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে বেশি চিনি খাওয়াও ভাল না। বেশি চিনি খেলে লিভারের
ক্ষতি হয়
, কোলেস্টেরল বেড়ে যায়, ওজন বাড়ে যায়, কিডনির রোগ হয়, খিদে কমে না, উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার
সম্ভাবনা থাকে।

গুগলের সাহায্যেই খুঁজে নিন আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোন
Bandita Bhattacharjee

Comments

No comments yet

আপনি কি আপনার অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোনটি হারিয়ে ফেলেছেন? বা ফোনটি চুরি হয়ে গিয়েছে? কীভাবে ফেরত পাবেন আপনার ফোনটি তা নিয়ে চিন্তা করতে করতেই দিন শেষ হয়ে যায়। থানায় অভিযোগ জানিয়েও খুব বেশি সারাহা হয় না। এমনকি ফোনের আইএমইআই নম্বরের সাহায্যে বা বিভিন্ন অ্যান্টি-ভাইরাস কোম্পানির ফোন সুরক্ষা অ্যাপের সাহায্যেও হারানো ফোনের হদিশ পাওয়া যায় নি। অধিকাংশ মানুষের কাছেই ফোন হারানোটা শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, এর মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত গোপনিয়তা আর নিরাপত্তাও ঝুকির মধ্যে পড়ে। কিন্তু একটি সহজ পদ্ধতি জানা থাকলে, সহজেই জানতে পারবেন কোথায় রয়েছে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোন। এই সুবিধা রয়েছে আপনার ফোনে দেওয়া গুগলের একটি অ্যাপ্লিকেশনেই।

Image Source - https://www.digitaltrends.com

প্রত্যেক অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই ‘ফাইন্ড ইয়োর ফোন’ অপশনটি রয়েছে। আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটি অন থাকে তাহলে এই অপশনটির সাহায্যে সহজেই জানতে পারবেন কোথায় আছে আপনার ফোনটি। আর যদি আপনার ফোনটি গুগল আইডি দিয়ে লগইন করা থাকে, তাহলে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে ওই একই গুগল আইডি থেকে লগইন করে জানা যাবে ওই ফোনের লোকেশান। তবে অবশ্যই আপনার ফোনে চালু থাকতে হবে ফোনের ‘লোকেশন সার্ভিস’ অপশনটি। তাই যখনই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করবেন সবসময় লোকেশনটি অন রাখুন।

Image Source - https://www.financialexpress.com

কী ভাবে খুঁজবেন আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটি?

প্রথমে আপনার কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে যেতে হবে maps.google.com-এ। এরপর আপনার হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোনটি যে গুগল আইডি দিয়ে লগইন করা আছে, সেই অ্যাকাউন্টটিই ব্যবহার করে লগইন করুন। এরপর maps.google.com-এর উপরে বাম দিকে একটি চিহ্ন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।ক্লিক করার পর ‘ইয়োর টাইমলাইন’ বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। এরপর যেই দিনের লোকেশান দেখতে চান, সেই দিনটি সিলেক্ট করতে হবে। তারপরেই গুগল ম্যাপের উপর আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনের লোকেশান দেখতে পাবেন আপনি। লোকেশন ট্র্যাক করে ফোন আপনি ফিরে পেতে পারেন।

Image Source - https://www.naijatechguide.com

কিন্তু শেষপর্যন্ত ফোন উদ্ধারের সব আশাই যদি আপনি জলাঞ্জলি দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এটাই আপনার
শেষ আশ্রয়। মোবাইলে থাকা মহাগুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন অন্য কারও হাতে না পড়ে, সে ব্যবস্থাও নিতে পারেন।
(ERASE DATA) অপশনটি ব্যবহার করে, মোবাইলের সব ডেটা মুছে
ফেলতে পারবেন। মোবাইল যদি অফলাইনে থাকে, তবে যখনই অনলাইনে আসবে, সঙ্গে সঙ্গে সব তথ্য মুছে যাবে। তবে এর ফলে গুগলের সাহায্য
নিয়ে আর সেট খুঁজে পাওয়ার উপায় খোলা থাকবে না। তবে ফোন খুঁজে পেলে জিমেইল আইডি
দিয়ে আবারও ব্যবহার করতে পারবেন হারিয়ে যাওয়া ফোন।

error: Content is protected !!